Tuesday, August 14, 2018

                   "আগের মতই আছো"
আজ তোমায় পেয়েছি প্রিয়া বড় অপন করে, তোমার নামে নামাংকিত হৃদয় পত্র জুড়ে।
তোমার হিয়া বুঝি আমার জন্য বড় ব্যাকুল হয়,
আজও বুঝি তোমার পোষা কাকাতুয়া আমার কথা কয়।
হয়তো কখনও অমানিশা রাতে দাড়াও জানালার পাশে,
আসিবে না প্রিয়তম তবুও কেনো দাড়াও মিথ্যা কল্পনার আশে।
তোমায় বলছি, আজও কি সকালে পড়েছিলে হলুদরঙা শাড়ি,
ঠাকুরঘরের কোনায় রোজ জ্বালাও ঘিয়ের বাতি? মনে আছে শিউলি ফুল কুড়োতে যেতাম একসাথে,
তুমি কি সেই আগের মতই আছো শশুরবাড়িতে।
                       "শুভম"

                      "স্বাধীনতা"
পেয়েছি বাক্যের স্বাধীনতা, পেয়েছি শৃঙ্খলমুক্ত আমেজতা,
পেয়েছি স্বাধীনতা অবাধ বিচরনের,পেয়েছি বেলাগাম উল্লাসতা।
পেয়েছি রাষ্ট বিরোধী স্লোগানের স্বাধীনতা,পেয়েছি দ্বিখন্ডিত ভারতমাতা,
পেয়েছি ধর্মের নামে বিভাজিত তবু সর্বধর্ম সমভাব নিরপেক্ষ আবদ্ধতা।
পেয়েছি গান্ধী,নেহেরু হারিয়ে ভগৎ সিং,সুভাষ বসু,
পেয়েছি সহস্র মায়ের বিলাপ পেয়েছি কাশ্মীর ইস্যু।
পেয়েছি জাতীয় ধ্বজ যাতে অস্পষ্ট বিপ্লবীদের রক্তের ছোপ,
পেয়েছি স্বাধীনতা, করি উদযাপন বলে অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন হয়নি লোপ।
                             "শুভম"

Sunday, August 12, 2018

"আপনজন"
কলম হাতে চলিয়াছি আমি অজানাকে জানিতে,
ভালো কিছু লিখিব না হয় বিপ্লব পারিব আনিতে।
এই পৃথিবী যদি মা হয় আমার তবে সবাই আপনজন,
মানুষের মতই সকল জীবকে করিব আলিঙ্গন।
                          "শুভম"
                           "নেশা'
নেশা তোমার চোখে সখি, নয়ন জুড়ে মদিরা ভাসে,
নেশা আমি করবো সখি তোমার চোখে চোখ রেখে।
নেশা তোমার রুপে সখি যে নেশা আগুন জ্বালায়,
নেশা সে তো মিটবে না গো, থাকবো দু বাহু জড়ায়।
নেশা সে ত মধুর নেশা তোমায় করি আলিঙ্গন,
নেশার কি যে মহিমা, আমি সব দিয়েছি বিসর্জন।
                            " শুভম"

Wednesday, August 1, 2018

"প্রকৃতি"
আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে নিকেশ করো অন্ধকার,
হে দয়াময় তোমার জগৎ তুমিই করো পরিত্রাণ ।
বড় কোলাহল, মন্দিরে নয়, আমার নির্জনতায়,
তোমায় তপ করিতেছি আমি মনের সরলতায়।
চক্ষু মুদিয়া করিব ধ্যান নাহি মোর এমন একাগ্রতা,
তাই ত প্রভু তোমায় পূজিতে চাই মোর নিরবতা ।
প্রতিমা ত নাই, পূজিব কাহারে, দিব কাহারে ফুল মা'লা,
পূজার বিধি জানিনা আমি, নাই পূজার ডালা।
উপরে গগন, মেঘের রাশি, বায়ু আছে বিত্যমান,
নীচে ধরিত্রী, জলধারা,বৃক্ষ সবেতেই তোমার অধিষ্ঠান।
তোমাতেই সব আছে প্রভু তুমি সব আকৃতির,
তাই ত আমি খোলা আকাশে পূজা করি প্রকৃতির।।
                          "শুভম"

Saturday, July 28, 2018

(আমার লেখা "অজ্ঞাতবাস" গল্পের একাংশ) "শৈশবের কল্পনা"
 আকাশের বুক চিরে যারা অনবরত উড়ে যায় ওরা কে, কোথায় ওদের ঠিকানা?
পাখী নয় গো পাখী ত অনবরত আকাশে উড়ে না, পাখী ত মাটিতে ফিরে আসে সেই পাখী হয়ে, কিন্তু সে ত শুভ্রবেশ থেকে স্বচ্ছবেশ ধারণ  করে লুটিয়ে পড়ে তপ্ত ধরিত্রীর বুকে আর নিমেষের মধ্যে নিজেকে চুর্ণ বিচুর্ণ করে ছড়িয়ে দিয়ে শান্ত করে দেয় সবকিছু,
ছোটোবেলা ভাবতাম শিমুল গাছের সব তুলো গুলো বাতাসে উড়ে চলে যায় আকাশে, আর মেঘ হয়ে উড়তে থাকে,
কতোবার যে শিমুলের তুলো কুড়িয়ে নিংড়ে দেখেছি কিন্তু কই, এক ফোটাও জল ত বের হয়নি,
অবশেষে অনেক মাথা খাটিয়ে বের করলাম, তুলো গুলো আকাশে ভাসতে ভাসতে রোদে ঘেমে যায় তাই বৃষ্টি হয়। (সেইদিন গুলোই ভালো ছিল, অবাস্তব কল্পনা, তবু ভালো লাগতো।)
                         "শুভম"

"অবক্ষয়"
নিঝুম রাতের স্তব্ধতার মাঝে মোচড় দিয়ে ওঠে আমার সবজান্তা দেহ,
নিদ্রাহীন রাতে কপাট খুলে বেরিয়েছে আমার বেপরোয়া মন।
রোজদিনের মত আজও কালো শাড়ি পড়েছো অসংখ্য চুমকি লাগানো,
যতবার অহং জাগে ততবার আমি তোমার বিশালতা দেখে হই নিয়ন্ত্রিত।
হৃদয়ের দ্বারপাল কটাক্ষ করে আওয়াজ দেয়,
মুক্ত হও, পরিপুর্ণ হও, আবদ্ধতা জীবন নয়।
মাথার শয়তান মোচড় দেয়,আবার বশ করে নেয়,
টানাপোড়েনের মাঝে শুধুই আমার সময়ের অবক্ষয়।
                           "শুভম"